শামসুদ্দোহার দুর্নীতির দুই মামলা বিচারের জন্য প্রস্তুত

  নিজস্ব প্রতিবেদক
  প্রকাশিতঃ রাত ১১:১১, সোমবার, ২৭ জানুয়ারি, ২০২৫, ১৩ মাঘ ১৪৩১
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

পুলিশের সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক (আইজিপি) শামসুদ্দোহা খন্দকারের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে করা পৃথক দুই মামলাটি বিচারের জন্য প্রস্তুত হয়েছে। আগামী ২০ ফেব্রুয়ারি চার্জগঠন শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে।

গতকাল সোমবার ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মো. জাকির হোসেন গালিবের আদালত মামলাটি ঢাকার বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালতে বদলি করেন। দুটি মামলার একটিতে তার স্ত্রী ফেরদৌসী সুলতানা খন্দকারকে আসামি করা হয়েছে।

২০১৮ সালে শামসুদ্দোহা ও স্ত্রীর অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ অনুসন্ধান শুরু করে। অনুসন্ধান শেষে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়। সন্তানদের পড়াশোনা এবং সংসারের ব্যয় মিটিয়ে শামসুদ্দোহা ও স্ত্রী যে সম্পদ অর্জন করেছেন, তা জ্ঞাত আয়বহির্ভূত। ফেরদৌসী দুদকে দাখিল করা সম্পদ বিবরণীতে সম্পদের উৎস হিসাবে স্বামীর দেশে-বিদেশে চাকরি, যুক্তরাজ্যে নিজের তিন বছরের চাকরি, কৃষি খামার ও ব্যবসার আয় এবং মায়ের দান, জমি ও ফ্ল্যাট বিক্রির কথা উল্লেখ করেন। তবে এই উৎসগুলোর সপক্ষে ফেরদৌসী প্রমাণপত্র জমা দেননি। শামসুদ্দোহার কাছ থেকেও প্রমাণপত্র পাওয়া যায়নি। ২০১৯ সালে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করে সংস্থাটি। তদন্ত শেষে গত বছরের ২ জুলাই আদালতে দুদকের সহকারী পরিচালক খোরশেদ আলম পৃথক দুটি অভিযোগপত্র দেন। এক মামলার অভিযোগপত্রে শামছুদ্দোহা খন্দকারের বিরুদ্ধে ৮ কোটি ৪৪ লাখ ১০ হাজার ২২১ টাকার সম্পদ গোপনসহ ২ কোটি ৮৭ লাখ তিন হাজার ৩৭৮ টাকার জ্ঞাত আয়-বহির্ভূত সম্পদ অর্জন এবং বিভিন্ন ব্যাংকে সন্দেহজনক তথা অস্বাভাবিক লেনদেনের প্রমাণ পাওয়া যায়। এছাড়া অপর মামলার অভিযোগপত্রে শামছুদ্দোহা ও তার স্ত্রী ফেরদৌসী সুলতানা খন্দকারের বিরুদ্ধে ২৮ কোটি ৪৭ লাখ তিন হাজার ৮৯১ টাকার সম্পদ গোপনসহ ২৭ কোটি ৪৮ লাখ ৮২ হাজার ৪৯১ টাকার জ্ঞাত আয়-বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের প্রমাণ পাওয়া যায়। ফেরদৌসী সুলতানা খন্দকার পেশায় একজন গৃহিণী হয়েও বিভিন্ন ব্যাংকে সন্দেহজনক লেনদেনের প্রমাণ পাওয়া যায়।

১৯৮৬ সালে সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) হিসাবে পুলিশবাহিনীতে যোগ দেন শামসুদ্দোহা। ২০১১ সালে অতিরিক্ত আইজিপি থাকাবস্থায় তাকে প্রেষণে বিআইডব্লিউটিএ-এর চেয়ারম্যান পদে নিয়োগ দেয় সরকার। দায়িত্ব পাওয়ার পর তার বিরুদ্ধে সীমাহীন অনিয়ম, দুর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ ওঠে। এরপর ২০১৫ সালে তাকে বিআইডব্লিউটিএ-এর চেয়ারম্যান পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। ২০১৬ সালের ৩ মার্চ চাকরি থেকে অবসরে যান।

Share This Article


ছবি: সংগৃহীত

১১৫ বার পেছালো সাগর-রুনি হত্যার প্রতিবেদন

ঢাকা কলেজ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে সংঘর্ষের ছবি

সাত কলেজ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, দুইজন আহত

ছবি: সংগৃহীত

এস কে সুরের লকারে ডলার, ইউরো সোনা ও এফডিআরের কাগজ

ছবি: সংগৃহীত

টঙ্গীতে অস্ত্রসহ ১৬ ডাকাত গ্রেফতার

ছবি: সংগৃহীত

টঙ্গীতে ধাওয়া করে দুই ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার, এক ছাত্র আহত

ছবি: সংগৃহীত

ছাত্রলীগ ট্যাগ দিয়ে শিবির সেক্রেটারির উপর হামলা ছাত্রদলের

নতুন ধ্বনি প্রতিনিধির তোলা ছবি

টঙ্গীতে ছয় মামলার আসামি টিকটক সজল গ্রেপ্তার, অস্ত্র উদ্ধার

ছবি: সংগৃহীত

টঙ্গীতে ছিনতাই বন্ধসহ বিভিন্ন দাবিতে মহাসড়কে বিক্ষোভ

ছবি: সংগৃহীত

বাংলাবাজারে অভিযান, বিনামূল্যের পাঠ্যবই উদ্ধার

মো. বাবু ওরফে ব্লেড বাবু

পল্লবীতে 'ব্লেড বাবু'কে কুপিয়ে হত্যা

ফাইল ফটো

কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে টিস্যু পেপারে চিঠি লিখলেন দীপু মনি